শিরেনাম : জাগে হে বাংলার জনগণ

কলমে : জাহিদ হাসান

জাগো জাগো জাগো হে বাংলার জনগণ
জাগো জাগো জাগো হে তুমি বীর তুমি উত্তম,
জাগো তোমরা একাত্তরের চেতনা নিয়ে
যে চেতনায় দিয়েছিল বাংলাদেশ মোরে।
জাগো জাগো হে বীর বাহাদুর
লক্ষ বীর বাহা দুরের দেশে
আজও কেন সন্ত্রাসী ঘুরে।
কোথায় কোথায় কোথায় হে বীর বাহাদুর
কোথায় আছো লুকিয়ে, নাকি আছো ঘুমিয়ে
৩০ বছর ঘুমিয়ে কি তৃপ্তি মিটেনি
আর কত ঘুমাবে?
এবার উঠে দাঁড়াও, দেশ থেকে সন্ত্রাসী তাড়াও।।

উঠ জাগো জাগো উঠ, উন্মুক্ত উৎস নিয়ে
উঠ উঠ উঠ হে বাংলার জনগন,
আর কতদিন বসে বসে সহ্য করবে নির্যাতন।
উঠ উঠ উঠ এবার তোমরা জেগে উঠ
উঠ এবার বায়ান্নর চেতনা নিয়ে
যে চেতনায় ভাষা দিয়েছিল মোরে
উঠ উঠ দিগন্ত উৎস নিয়ে।।

জাগো জাগো জাগো হে বাংলার জানগণ
জাগো জাগো জাগো হে তুমি বীর তুমি জানো উত্তম,
বায়ান্ন আর একাত্তরের চেতনা নিয়ে
জেগে উঠ আবার নতুন করে।
স্বাধীন বাংলার মানুষের অধিকার ছিনিয়ে আনতে
গড়ে তোল নতুন করে দেশটাকে
জাগো হে বাংলার জনগণ।

পুলিশ আর বিডিআর সেনাবাহিনী রক্ষিকার
সবাই মিলে শপথ কর, নতুন বাংলা গড়ে তোল।
যে বাংলায় থাকবেনা আর সন্ত্রাসী
যে বাংলায় থাকবেনা আর রাহাজানি,
থাকবেনা আর দুইর্নীতি, থাকবেনা আর সন্ত্রাসী
দেশের স্বার্থে গড়ে তোল রাজনীতি।।

জাগো জাগো জাগো হে বাংলার জনগণ
কবি নজরুল বলে গেছে অতুল
তাহার লেখায় ছিল নাতো ভুল।
সেই কবিতা নিয়ে আবার এসেছি আমি
তোমাদের মাঝে
আরও একটা যুদ্ধের চেতনা কেন নাহি বাজে।

জাগো জাগো জাগো হে বন্ধু গণ
মনে প্রাণে শপথ কর এই পণ
আর এক যুদ্ধের ঘন্টা বাজাও
বাংলা থেকে সন্ত্রাসী তাড়াও।
কে বলেছে রাত্রি এলো
দেখ দেখ দেখ ঐ আলো এলো
আঁধার কেটে আলো এলো
সকাল বুঝি এই হলো।
ঘুমিয়ে যদি থাক তুমি জানবে কেমন করে
রাত্রি নাকি দিন প্রবাহ হইতেছে।
উঠ উঠ জেগে উঠ হে বাংলার সন্তান
স্মরণ কর রফিক শফিক বরকত আরও কতটা নাম।
জাগো জাগো জাগো হে বাংলার জনগণ
জাগো জাগো জাগো হে তুমি বীর তুমি উত্তম।।