সাবেক এমডিসহ অগ্রণী ব্যাংকের ১১ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

অর্থনীতির ৩০ দিন প্রতিবেদক :
অগ্রণী ব্যাংক চট্টগ্রাম আছাদগঞ্জ শাখা থেকে ১৮৯ কোটি ৮০ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাতের অভিযোগে ব্যাংকটির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সৈয়দ আব্দুল হামিদ ও নুরজাহান গ্রুপের পরিচালকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানিয়েছেন। মামলার আসামি হলেন, অগ্রণী ব্যাংকের সাবেক এমডি ও সিইও সৈয়দ আব্দুল হামিদ, আছাদগঞ্জ শাখার সাবেক প্রিন্সিপাল অফিসার ও মহাব্যবস্থাপক মোস্তাক আহমেদ, সাবেক উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. আবুল হোসেন তালুকদার, সাবেক মহাব্যবস্থাপক (ঢাকা সার্কেল-২) মো. ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ, সাবেক মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ শামস উল ইসলাম, সাবেক উপ-মহাব্যবস্থাপক তাজরীনা ফেরদৌসী ও সাবেক মহাব্যবস্থাপক মো. মোফাজ্জল হোসেনকে।
এছাড়া মেসার্স মিজান ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মো. মিজানুর রহমান, জাসমীর ভেজিটেবল ওয়েল লিমিটেডের এমডি জহির আহমেদ এবং পরিচালক টিপু সুলতান ও ফরহাদ মনোয়ারকেও আসামির তালিকায় রাখা হয়েছে।
দুদকের অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, মেসার্স মিজান ট্রেডার্সের নামে ছোলা ও গম আমদানির জন্য ঋণ মঞ্জুর করা হলেও প্রকৃত সুবিধাভোগী ছিল নুরজাহান গ্রুপ ও তাদের সহযোগী প্রতিষ্ঠান জাসমীর ভেজিটেবল ওয়েল লিমিটেড। এ জন্য বেতনভোগী কর্মকর্তা মিজানুর রহমানকে ব্যবহার করে প্রতারণার মাধ্যমে ঋণ অনুমোদন ও উত্তোলন করা হয়।
এছাড়া নুরজাহান গ্রুপের একটি বেনামী প্রতিষ্ঠানের নামে ব্যাংকে হিসাব খোলা হয়। হিসাব পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয় জাসমীর ভেজিটেবল ওয়েলের এমডি জহির আহমেদকে। নতুন প্রতিষ্ঠানটিকে বিপুল অঙ্কের ঋণ মঞ্জুর করা হলেও শর্তপূরণে কোনো নজরদারি ছিল না। এতে উভয় পক্ষের যোগসাজসে প্রথমে ৫১ কোটি টাকা উত্তোলন করা হয়, যা বর্তমানে সুদে-আসলে দাঁড়িয়েছে ১৮৯ কোটি ৮০ লাখ টাকায়। এ ঘটনায় আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯/১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় দুদক মামলা দায়ের করেছে ।