অর্থনীতির ৩০ দিন সংবাদ :
সাম্প্রতিক সময়ে মিয়ানমার সীমান্তে গোলাগুলির ঘটনা তাদের আভ্যন্তরীণ এবং সাময়িক ঘটনা বিবেচনা করে শুরুতে তেমন গুরুত্ব না দিলেও, ধারাবাহিক এবং নিয়মিত যুদ্ধ পরিস্থিতি গোটা জাতীকে ভাবিয়ে তুলেছে। আমাদের আভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক মতপার্থক্য এবং সৌহার্দ ও বন্ধুত্বপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতিকে সুযোগ মনে করে, আন্তর্জাতিক কোন ষড়যন্ত্র স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশকে নিয়ে মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে কিনা তা পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা বিভাগ কর্তৃক, ভিন্ন-ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে গুরুত্ব সহকারে বিশ্লেষণ করা উচিত। বাংলাদেশ মুসলিম লীগ সভাপতি এড. বদরুদ্দোজা সুজা ও মহাসচিব কাজী আবুল খায়ের আজ এক বিবৃতিতে একথা বলেন। নেতৃদ্বয় আরো বলেন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং সম্প্রীতি ও সৌহার্দপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতিকে তারা দুর্বলতা ভাবতে পারে। মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত কে তলব করে একাধিক বার প্রতিবাদ জানানো হলেও মিয়ানমারের এই অপতৎপরতা এখনো বন্ধ না হওয়ায়, জনগণের উদ্বেগের মাত্রা প্রতিনিয়ত আরো বাড়ছে। মিয়ানমারের আভ্যন্তরীণ বিষয়ে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের নাগরিকের প্রাণ হারাতে হবে; জনপদের অধিবাসীদের চরম উৎকণ্ঠায় দিনাতিপাত করতে হবে -এটা দিনের পর দিন মেনে নেয়া যায় না। নাগরিকদের মনে স্বস্তি ও নিরাপত্তা বোধ সৃষ্টি করতে একই সাথে মিয়ানমারকে কড়া বার্তা দিতে, অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট সীমান্তে সেনাবাহিনীকে প্রস্তুত রাখা উচিত বলে বাংলাদেশ মুসলিম লীগ মনে করে।












