
অর্থনীতির ৩০ দিন প্রতিবেদন :
টেলিভিশন রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ট্র্যাব) আয়োজনে গত ৮ই ফেব্রুয়ারি ২০২৫ শনিবার হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও ঢাকায় ২৬তম ট্র্যাব অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠান উদ্ধোধন করেন কমিউনিকেশন অব বাংলাদেশ (কব) এর চেয়ারম্যান মোঃ গোলাম মজনু।
অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের সম্মাননা প্রদান করেন একুশে পদকপ্রাপ্ত শিক্ষাবিদ ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ড. সুকোমল বড়ুয়া এবং জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক কালের কন্ঠ পত্রিকার সম্পাদক বিশিষ্ট কবি সাংবাদিক হাসান হাফিজ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মেগাস্টার আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন এর সাধারণ সম্পাদক খুরশিদ আলম, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন এর
সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ এরফানুল হক নাহিদ, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিট এর সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল ও বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি এর সভাপতি কামরুল হাসান দর্পণ। সে অনুষ্ঠানে পিপলস ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড এর কোম্পানি সচিব শেখ মো: সরফরাজ হোসেন এফসিএস মহোদয়কে সমাজ সেবায় বিশেষ ভুমিকা পালনের জন্য ২৬তম ট্র্যাব অ্যাওয়ার্ড – ২০২৫ প্রদান করা হয়।
“সংস্কৃতির সফল চর্চায় দর্শকদের মন জয় করতে হবে এবং বাঙালিয়ানা চর্চাকে আরো বিকাশ করতে হবে।”এই তাৎপর্যপূর্ণ উক্তিটি অনুষ্ঠানে তুলে ধরেন সরফরাজ হোসেন। তিনি সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে আপ্লুত হয়ে বলেন, আজকের দিনে যে সকল সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, সমাজকর্মী, জনপ্রিয় তারকাশিল্পী, প্রিন্ট ও ইলেকট্র্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ এবং যাঁরা সফলতা ও ভালো কৃতকর্মের জন্য পুরস্কার পেয়েছেন তারা সবাই একত্রিত হওয়ায় আমরা খুবই আনন্দিত হয়েছি। সংস্কৃতি জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটিকে জীবন থেকে কোনভাবেই বাদ দেয়া যায় না। চাকুরী, পড়াশোনা, খেলাধুলা, পরিবারকে সময় দেয়া যেমন চিরাচরিত কাজ, ঠিক তেমনি সাংস্কৃতিক কৃতকর্ম উপভোগ করা, জীবনের হাস্যোজ্জ্বল সময় পার করাও একটি পরিপূরক কাজ। এ কাজে কোন ব্যক্তি বেশি জড়িত আবার কেউ কম। কেউ এটিকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন আবার কেউ উপভোগ করেন। আমাদের শিল্প সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চা প্রাচীনকাল থেকেই বহমান।
মোবাইল ও ইন্টারনেট আসার পূর্বে এটি পারফর্ম করা যেমন কষ্ট ছিল, তেমনি উপভোগ করাও ছিল কষ্টসাধ্য। বর্তমানে মোবাইল ও ইন্টারনেট বিস্তৃত হওয়ায় শিল্পীরা যেমন খুব সহজেই যে কোন স্থান এবং পরিবেশ থেকেই সহজে নিজের কর্ম তুলে ধরতে সক্ষম হচ্ছেন, ঠিক তেমনি যে কোনো বয়সী ব্যক্তি সহজেই যে কোনো প্রান্ত হতে অবসর সময়ে যে কোনো পরিস্থিতিতে তা হাতে নিয়ে উপভোগ করতে পারছেন। এতে শিল্প এবং সংস্কৃত চর্চার পরিধি আরো ব্যাপক হচ্ছে। সুতরাং একজন শিল্পীর সংস্কৃতি চর্চা অনেকটাই গতিশীল হয়েছে। আমাদের শিল্পীদের আরো নতুন নতুন মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান তৈরি করতে হবে এবং নতুন ভাবে সাজাতে হবে যেন প্রতিবারই নতুনত্বের ছোঁয়া থাকে এবং দর্শকের মনে আবেগ সৃষ্টি করতে পারে।
যুগ পরিবর্তনের সাথে শ্রোতার এবং দর্শকের চাহিদাও পরিবর্তন হয়েছে সেটিকে খেয়াল রেখে আমাদের শিল্পীদের সৃজনশীল কন্টেন্ট তৈরির মাধ্যমে আমরা আমাদের দেশের সুনাম বর্হিবিশে^ ছড়িয়ে দিতে হবে। একটি চলচিত্র,
একটি নাটক, একটি সংগীত প্রতিটি কাজের সাথে প্রত্যেক ভিন্ন ভিন্ন শিল্পীর ছোঁয়া থাকে, তাদের প্রত্যেকের গুরুত্ব এবং অবদান অনশ্বীকার্য। প্রত্যেকটি ক্যাটাগরীতে এ সম্মাননা প্রদান করায় ট্র্যাব অ্যাওয়ার্ডটি একটি নতুন ফলক তৈরী করেছে। পরিশেষে তিনি সকল বিজয়ীদের অভিনন্দন জানান এবং আগামীতে যারা তাদের ভালো কৃতকর্মের জন্য এ সম্মাননা অর্জন করবেন তাদেরকে আগাম শুভেচ্ছা প্রদান করেন।












