
অর্থনীতির ৩০ দিন প্রতিবেদক:
আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, সাংবাদিকদের সুরক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর। গণমাধ্যমকর্মী আইনটি সাংবাদিকদের সুরক্ষার জন্য করা হচ্ছে। আইনটি এখন সংসদীয় কমিটিতে আছে। যেহেতু এ আইনের বেশকিছু ধারা নিয়ে সাংবাদিক মহল কথা বলছেন, তাই এগুলো নিয়ে তথ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সঙ্গে সাংবাদিক নেতারা, মালিক পক্ষ এবং প্রয়োজনে আমি থেকে আলোচনা করতে পারি এবং আপনারা চাইলে এ বিষয়ে আমি উদ্যোগ নিতে পারি।
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ মঙ্গলবার রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার (বিজেসি) আয়োজিত সম্প্রচার সাংবাদিক সুরক্ষা প্রতিবেদন শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আনিসুল হক বলেন, শেখ হাসিনার সরকার জনগণের বাক-স্বাধীনতা ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় অঙ্গীকারবদ্ধ। তার সরকার এমন কোনো আইন করবে না, যেটা সংবিধান পরিপন্থি। সে কারণেই বলছি, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা বা বাকস্বাধীনতা হরণের জন্য করা হয়নি। এটা সাইবার অপরাধ প্রতিরোধ ও দমন করার জন্য করা হয়েছে।
আনিসুল হক বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে কিছু প্রশ্ন উঠেছিল, সেগুলোর ব্যাপারে সরকার ব্যবস্থা নিয়েছে। যেসব সমস্যা ছিল, সেগুলো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে সমাধান করার চেষ্টা করছি।
এ সময় আইনমন্ত্রী উদাহরণ দিয়ে বলেন, সম্প্রতি একজনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনের মামলা গ্রহণের আগে পুলিশের শীর্ষ এক কর্মকর্তা আমাকে ফোন করে জানিয়েছেন, মামলাটি তিনি নেবেন কি না। আমি তখন মতামত দিয়েছি। এটাও একটা অগ্রগতি। আগে পুলিশ মামলা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে গ্রেপ্তার করত।
তিনি বলেন, গণমাধ্যম সেক্টর এখন যথেষ্ট পরিপক্ব সেক্টর। তাই এখানে আইন, রেগুলেটরি বডি করার সময় এসেছে। আমি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সুরক্ষার স্বার্থে আইন করার পক্ষে। এ জন্য সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানে বিজেসির পক্ষ থেকে দেশের ২৩টি টেলিভিশন চ্যালেনের কর্মীদের মৌলিক প্রাপ্যতা ও সুরক্ষা নিয়ে একটি জরিপের ফল তুলে ধরা হয়।












