অর্থনীতির ৩০ দিন ডেস্ক :
গত ৩১ জুলাইয়ের নীতিমালা প্রজ্ঞাপনে ৬(ঙ) ধারাসংশোধন করে সদ্য সরকারিকরণকৃত কলেজ সমূহের শিক্ষক-কর্মচারীদের সরকারিকরণের সব ধরণের সুযোগ সুবিধা প্রদানের দাবি জানিয়েছে সদ্য সরকারিকরণকৃত ২৯০ টি কলেজের ৫৯ বেসরকারি সমস্ত সুযোগ-সুবিধা বঞ্চিত শিক্ষক কর্মচারীবৃন্দ।
গত ১৬ অক্টোবর জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, বেসরকারি কলেজ শিক্ষক-কর্মচারীগণের চাকরির সর্বোচ্চ বয়স ৬০ বছর, যেহেতু জাতীয় করণের লক্ষে নিয়োগ, সম্পদ হস্তান্তর ও অর্থ ব্যয়ের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ হওয়ার সময় আমাদের বয়স ৫৯ অতিক্রম করেনি। সেহেতু গত ৩১ জুলাইয়ের নীতিমাল প্রজ্ঞাপনে ৬(ঙ) ধারা সংশোধন করে সদ্য সরকারিকরণকৃত কলেজ সমূহের শিক্ষক-কর্মচারীদের সরকারি করণের সব ধরণের সুযোগ সুবিধা প্রদানে সুব্যবস্থা করাই আমাদের আবেদন।
তারা বলেন, কলেজ সমূহ জাতীয়করণের অংশ হিসেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাউশির এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় বিভিন্ন স্মারকের প্রজ্ঞাপনে কলেজের নিয়োগ, স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। আমরা আশাহত হলাম ৩১ জুলাই নীতিমালা প্রজ্ঞাপনে ৬(ঙ) ধারা মোতাবেক সরকারি চাকরীর বয়স সীমা ৮ আগস্ট তারিখ হতে কার্যকারি হবে এবং উল্লেখিত তারিখের পূর্বে যাদের সরকারি চাকরির বয়সসীমা অতিক্রম করেছি তাদের অস্থায়ীভাবে নিয়োগ গ্রহনযোগ্য হবে না।
তারা আরো বলেন, আমাদের বয়সসীমা ৮ আগস্ট এর পূর্বে ৫৯ বছর অতিক্রম করেছে। আমারা দীর্ঘ ধরে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নিষ্ঠার সঙ্গে শিক্ষকতার দায়িত্ব পালন করছি। জীবনের শেষ প্রান্তে এসে ৩১ জুলাইয়ের নীতিমালা প্রজ্ঞাপনে ৬(ঙ) ধারার কারনে আমাদের সব ধরণের সরকারি সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হওয়ায় পরিবার ও সমাজের চোখে হেয় প্রতিপন্ন হয়ে মানসিক ভাবে হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়েছি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের আহবায়ক আব্দুল মোত্তালেব, সদস্য একে এম জয়নাল আবেদীন, আলম মিয়া, আনোয়ার হোসেন খান প্রমুখ।












