
খোন্দকার জিল্লুর রহমান :
এনকাউনাটার, ক্রস-ফায়ার বন্দুকযুদ্ধ এবং গুলি বিনিময় নাটকের অবসানের ১০০ দিন পুর্তি, “সাবাস আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।” আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সন্দেহভাজন অপরাধীদের মধ্যে ‘এনকাউন্টার, পরবর্তিতে ক্রস-ফায়ার, এরপর বন্দুকযুদ্ধ’ সর্বশেষ ‘গুলি বিনিময়’ এর নামে অর্থ্যাত এক কথায় কোনো বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ছাড়াই রোববার ২০ মার্চ বাংলাদেশ ১০০ দিন পার করেছে। যেটি আমাদের জন্য একটি বিরল এক ঘটনা।
স্প্যানিশ বার্তা সংস্থা ইএফই এ খবর দিয়ে বলেছেঃ যুক্তরাষ্ট্র গত বছরের ১০ ডিসেম্বর বাংলাদেশের এলিট সিকিউরিটি ফোর্স র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) এবং পুলিশ প্রধান বেনজীর আহমেদসহ র্যাবের সাতজন বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তার ওপর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল। ওই নিষেধাজ্ঞার পর ঘন ঘন “বন্দুকযুদ্ধের” ঘটনা অলৌকিক ভাবে বন্ধ হয়ে যায়।
মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার প্রতিফলন হিসাবে তথাকথিত বন্দুকযুদ্ধে হত্যাকাণ্ডের এমন বিরতি এটাই এটাই প্রথম, আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো উক্ত ঘটনাগুলোর নাটক মঞ্চস্থ করেছিল এবং সেগুলো সম্পর্কে মিথ্যা বর্ণনা দিয়েছিল।
২০২০ সালে কক্সবাজার জেলায় সেনাবাহিনীর এক অবসরপ্রাপ্ত মেজরকে হত্যার পর একই ধরনের স্থবিরতা নেমে এসেছিল। কথিত ওই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সামরিক বাহিনী এবং পুলিশের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছিল যা একটা রাষ্ট্রর জন্য অশনি সঙ্কেত।












