প্রতিযোগিতা সক্ষমতা সূচকে বাংলাদেশের এক ধাপ অবনমন

অর্থনীতির ৩০ দিন ডেস্ক :
ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বিচারে গত এক বছরে প্রতিযোগিতার সক্ষমতায় বৈশ্বিক সূচকে অবস্থানের অবনমন ঘটেছে এক ধাপ। যদিও সক্ষমতায় বাংলাদেশের কিছুটা উন্নতি করেছে। এবছর ১৪০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ রয়েছে ১০৩তম অবস্থানে। আগের বছর ১৩৫ দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ১০২তম অবস্থানে ছিল।
একধাপ পিছিয়ে প্রতিবেশী ভারতের অবস্থান হয়েছে ৪০তম। অন্যদিকে এই সূচকে এগিয়েছে পাকিস্তান। পাকিস্তান ১২২তম অবস্থান থেকে এ বছর ১১৫তম অবস্থানে পৌঁছেছে। এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের মধ্যে মালয়েশিয়ার অবস্থান সবচেয়ে ভালো। দেশটির অবস্থান এবার ২৩তম।
চলতি বছরের শুরুতে চালানো জরিপের ভিত্তিতে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম বিশ্বব্যাপী একযোগে এই ‘গ্লোবাল কমপেটিটিভনেস রিপোর্ট ২০১৮’ প্রতিবেদন প্রকাশ করে। ঢাকার সিরডাপ মিলনায়তনে ফোরামের পক্ষে বাংলাদেশে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)।
একটি দেশের অবস্থান বিচারের জন্য প্রতিষ্ঠান, অবকাঠামো, তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার, সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, স্বাস্থ্য, দক্ষতা, পণ্য বাজার, শ্রম বাজার, আর্থিক ব্যবস্থা, বাজারের আকার, বাজারের গতিশীলতা, নতুন ধারণার আত্মীকরণ- এই ১২টি মানদণ্ড ব্যবহার করেছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম। প্রতিবেদনে বলা হয়, ১২টি সূচকের মধ্যে বাংলাদেশের ৯টিতে অবনতি হয়েছে। উন্নতি করেছে তিনটিতে। এসব মানদণ্ডের ভিত্তিতে ১০০ ভিত্তিক সূচকে সব মিলিয়ে এবার বাংলাদেশের স্কোর হয়েছে ৫২ দশমিক ১, যার গতবছরের স্কোরের চেয়ে ০ দশমিক ৭ বেশি।
বিশ্বে প্রতিযোগিতা সক্ষমতার দিক দিয়ে এবারের সূচকের শীর্ষে উঠে এসেছে যুক্তরাষ্ট্র, তাদের স্কোর ৮৫ দশমিক ৬। এরপরই রয়েছে সিঙ্গাপুর, জার্মানি, সুইজারল্যান্ড, জাপান, নেদারল্যান্ডস, হংকং, যুক্তরাজ্য ও সুইডেন ও ডেনমার্ক।
অনুষ্ঠানে সিপিডির সম্মানীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান, নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন ও গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম উপস্থিত ছিলেন।