
—-খোন্দকার জিল্লুর রহমান
ইদানিং দেখে যায় বিভিন্ন সংস্থার বেশ কিছু মানুষ আসছে দাবি আদায়ে। এতদিন তারা কোথায় ছিল ওদেরকে প্রত্যেককে পানিশমেন্ট দেওয়া উচিত। এইসব দুর্যোগের সময় কোন সুযোগ আদায়ের জন্য আসল? গত ১৬ বছর মুখ খুলে কথা বলার সাহস পায় নাই। এখন পলাতক স্বৈরাচারী সরকারের ইন্দনে আর অপেক্ষা করতে পারে না। রাষ্ট্রীয় ভালো কিছু উদ্যোগে তারা সহ্য করতে পারে না। একটা সুস্থ সুন্দর এবং গঠন গঠন তান্ত্রিক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ঝামেলায় ফেলে তারা ঘোলা পানিতে মাছ ধরে নিজেদের সুযোগ আদায়ের জন্য আবার স্বৈরাচারকে ফিরিয়ে আনার জন্য চেষ্টা করতেছে অভ্যন্তরীণভাবে। দেশের ১৮ কোটি মানুষের কাছে আমার অনুরোধ, আপনারা চোখ কান খোলা রেখে সুস্থ এবং স্থির মস্তিষ্কে নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য বর্তমান সরকারকে সহায়তা করুন। কমপক্ষে পাঁচ থেকে সাত অথবা দশ বছর অপেক্ষা করে অবকাঠামো ঠিক করে যাতে সুন্দর একটা শিক্ষিত জাতি একটা সরকার একটা বর্তমান সুশৃংখল আইনি ব্যবস্থা, এবং শিক্ষা পদ্ধতির পরিবর্তন সহ একটা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা উপহার দিতে পারে, সারা বিশ্বের কাছে যাতে মাথা উঁচু করে ঘোষণা করা যায় যে বাংলাদেশ একটা প্রজন্মের জন্ম দিয়েছে, এই প্রজন্ম সারা বিশ্বকে সুশৃংখল উন্নত দেশ সংস্কারের পথ দেখিয়ে দিয়েছে। সারা বিশ্বের মানুষ যাতে বাংলাদেশের এই প্রজন্মের কাছে একটা শিক্ষা নিয়ে যাতে বলতে পারে এটা বাংলাদেশের প্রজন্মের রোল মডেল। আমি খোন্দকার জিল্লুর রহমান একজন কলামিষ্ট, প্রতিবাদী কবি, লেখক, কথা সাহিত্যিক, ও সম্পাদক প্রকাশক, অর্থনীতির ৩০ দিন। আমি গর্ব করে বলতে পারি, আমাদের সন্তান তুল্য এই প্রজন্ম সার্বিক অবস্থায় যেমন বন্যা পরিস্থিতি, দুর্যোগ মোকাবেলা, গণতন্ত্র হরণ, স্বৈরাচারের প্রতিবাদ, সকল অনিয়ম, দুর্নীতির প্রতিরোধ ও স্বৈরাচারের পতনসহ সমস্ত অবকাঠামোকে সুন্দর এবং সুশৃঙ্খলভাবে তৈরি করে একটা সুন্দর বাংলাদেশ উপহার দিতে পারবে বলে আমার বিশ্বাস। আমি এই প্রজন্মের কাছে ঋণী, যেটা আমি, আমরা, কতিথ সমাজ বা দেশের অন্যান্য সচেতন নাগরিকরা করে দেখাতে পারে নাই নেক্সট প্রজন্ম এটা করে দেখিয়েছে। বাংলাদেশের ছাত্র জনতার এই অবদান সারা বিশ্ব হাজার বছর লাখ বছর মনে রাখবে এবং ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে।












