খোন্দকার জিল্লুর রহমান :
গবেট সোনা চাঁদের কনা
আনন্দে সবসময় থাক,
কোথায় তোমার অবস্থান তৈরি
বুঝার উপায় খোঁজ নাই কো।
মানষিক রোগে আক্রান্ত তুমি
হয়ে গেছ শ্রেষ্ঠ ঊন্মাদ,
দিনে রাতে সবসময় তাই
মুখে চালিয়েছ পাগল প্রমাদ।
বেশ্যা-মাগির সাথে নাচিয়া নাচিয়া
বিবেক কে করেছ শুন্য,
জ্ঞানবুদ্ধি সব লোপ পেয়ে তোমার
হয়েগেছ পশুর ছেয়েও নিম্ন।
নিজের মেয়েকে র্যাপ করতে না পেরে
মেয়েতুল্য কাউকে(মুখেমুখে) র্যাপ করে
ধন্য হতে গিয়ে সবার কাছে আজ
হয়ে গেছ নিকৃষ্ট চির তরে।
নিজের স্ত্রী-কণ্যার লুলুপ দেহ
কুকুরে চাটিয়া খায়,
বেশ্যা-নটির নাভি চেটে খাও বলে
নিজের খবর রাখনা তায়।
ঊন্মাদ পাঁঠা বুঝেনা কখনো
কিভাবে সম্মান রক্ষা করে,
সামনা পেছন না ভেবে শুধু
সকল-ই ব্যাবহার করে।
তোমার স্বার্থে সাথে থাকিয়া
হতে চেয়েছিল যারা ক্লিন,
প্রত্যেকে এখন তিনটি করিয়া
নিতে হচ্ছে র্যাভিস ভ্যাকসিন।
তোর নখের আঁছড় যাদের
লেগেছে যাদের মনে এবং গায়
তারা সকলে প্রতিনিয়ত এখন
মাইলং (কুকুরের ঔষধ) কিনিয়া খায়।
জ্ঞান বুদ্ধি আর বিবেক হারিয়ে
যখন তুঙ্গে তোমার ঊন্মাদনা,
ঠিক সময়ে পেয়ে গেলে তুমি
কতৃপক্ষের বিদায় প্রনোদনা।
প্রনোদনা পেয়ে হঠাৎ করে কেন
থেমে গেল নাভি চাটার মোহ,
কাঁচা বাদামে তুলতুলে গড়া
তোমার এখন শুকরে চাটে দেহ।
__________××××_________
ঊক্ত রচনাটি কারাের সাথে মিলে গেলে এর জন্য লেখক,সম্পাদক প্রকাশক কেহই দ্বায়ী নয়।












