“কারাগার”(দুষ্টি কলম)


খোন্দকার জিল্লুুর রহমান:
আমি আছি একটা অদৃশ্য কারাগারে জন্ম থেকেই চির বন্ধি,
আমার বিবেক আমাকে তাড়া করে করতে পারিনা সন্ধি।
জানিনা কখন যে কিভাবে হবে আমার মুক্তি
নিজের নিকট নিজেই পরাজিত পাইনা এর কোন যুক্তি।

কারাগারে আমি বন্ধি রয়েছি কোনই প্রহরি ছাড়া
বেরুতে যখই চেষ্টা করেছি ঠিক তখনই পড়েছি ধরা।
দিনের আলো কিংবা রাতের আঁধার কিছুই আসেনা কাজে
যখনই মুক্তির কথা চিন্তা করি সবকিছু লাগে বাজে।

যে কারাগারে আমি বন্ধি আছি তার নেই কোন পাহারাদার
বেরিয়ে যেতে যখনই চেষ্টা করি বলে উঠে খবড়দার।
মনে মনে যখন চাবিটাকে খুঁজি এখানে ওখানে বার বার
কেউ যেন বলে উঠে চাবিটা তোমারই কাছে খুজেঁ নাও এবার।

দিন নেই রাত নেই সবসময় নিজের সাথে হয় দন্ধ
নেই কোন লিখিত শর্ত তবুও কেন আছি কারাগারে আবদ্ধ।
যেখানে যখন যেতে চাই যেতে নেই কোন বাধা বিপত্তি
তবুও কারাগারে আবদ্ধ থাকে থাকেনা যার লিখিত আপত্তি।

কারাগারে বন্ধি থেকেও আমার নেই কোন প্রতিবন্ধকতা
বাধাহীন আলিঙ্গনে ফিরে আসি এটাই জীবনের স্বার্থকতা।
মুক্তবিহঙ্গে ঘুরব কখন জানিনা সব কোলাহল পেরিয়ে
প্রানের আকুতিতে ইচ্ছে হয় উড়ে যেতে তোমাকে নিয়ে।

শেষ যাত্রা যখন শুরু হল কারাগার থেকে মুক্তি পাবার
মিলিতভাবে সবাই চলে এল আমাকে বিদায় করে দেবার।
বার বার যেন ভুল করে গুনি যদি সুযোগ পেতাম পুনঃজন্মাবার
হিসেবের খাতা শুন্য রয়েগেল পারিনি জীবনের হিসাব মিলাবার।