শিরোনাম :‘‘শরত হেমন্তে’’(দুষ্টি কলম)


কলমে : খোন্দকার জিল্লুর রহমানঃ-
তারিখ : ২৫/১০/২০২২

বর্ষাকালে প্রবল বেগে নদী পাগল হয়
খাল বিল নদী নালায় থাকে শ্রোতের ভয়।
চোখের আড়াল হলে পরে মনের আড়াল হয়
নদীর পাড়ে বাড়ী হলে থাকে ভেঙ্গে পড়ার ভয়।
বন্যার পানি সরিয়ে গেলে মাঠে পড়ে পলি
সবুজ শ্যামল মাঠে মোরা সোনালী ধান ফলি।
বর্ষা মেঘে দারুন সাজে শরত কালের আকাশ
ঝড় বাদল সব কেটে গিয়ে শান্ত থাকে বাতাস।
গাঁয়ের চাষী মনের সুখে সোনার ফসল ফলায়
নায়ের মাঝি পাল তুলিয়ে আনন্দে নাও বায়।
রাখাল ছেলের বাসির সুরে মন যে উদাষ করে
সুখের টানে বাউল শিল্পী বাউলি গান ধরে।
হাজার নদীর বাংলাদেশে হাজার বছর ধরে
উজান ভাটির গান করেযে ভাটিয়ালি সুরে।


শরত শেষে হেমন্তে ঐ সবুজ স্যামল ঘাসে
ফোটা ফোটা শিশির বিন্দু ভোরের রোদে হাঁসে।
ছেলেমেয়েদের নিকট দাদু ছিল গল্প বলার সাথি
গল্পে বলেন রাজার ছিল বিশাল বিশাল হাতি।
হাতি শালে হাতি ছিল ঘোড়া শালে গোড়া
রাজমহল পাহারা দিত সিপাই কয়েক জোড়া।
হেমন্তের শেষে হাওড়েতে আসে শীতের পাখী
দিনে রাতে সবসময়ে করে ডাকা ডাকি।
ঘৃীষ্ম শেষে বর্ষা আসে শরত শেষে হেমন্ত
শীতের হাওয়া বিদায় নিয়ে আসে বসন্ত।
====================