“মা”

খোন্দকার জিল্লুর রহমান
মা আমাদের সবার প্রিয়
সবার চেয়ে অতুলনিয়
এটা সবাই রাখিবে স্মরন।
যেমন ই”েছ তেমন করে
চাইবে আদর সবার তরে
এটা করবে সবাই পুরণ।
সারা জীবন কষ্ট করে
সব সন্তানকে মানুষ করে
শান্তিতে চায় মরন।
মুখ পুটিয়ে বলেনা সে
থাকেও যদি বৃদ্ধাবাসে
তবুও করেনা বারন।
সন্তান যদি দেখতে আসে
দাড়িয়ে থাকে তাদের পাশে
যাওয়ার পথে দেখে সারাক্ষন।
সন্তান যেন সূখে থাকে
মনে মনে ছবি আঁকে
থাকে যেন রাজারই মতন।
জীবনের সূখ নষ্ট করে
যেন থাকতে চায়না অনাদরে
দেখায়না তো ভিতরের দহন।
রাগের স্বরে আদর করে
এ কাজ শুধু মা-ই পারে
সন্তান তখন বুঝতে পারে না।
বড়হয়ে যখন বুঝতে পারে
স্ব-সন্তান তখন যায়গা করে
মায়ের আদর ফিরে আসে না।
তাই জীবদ্দশায় সেবা করে
দোয়া নিবে আদর করে
এতে সূখ-শান্তি কমে না।
মরে গেলে কবর পাড়ে
লাভ কি হবে কান্না করে
তাতে মায়ের সূখতো ফিরে না।

কবিতাটি ১ অক্টোবর আমার মায়ের ৬ষ্ট মৃত্যু বার্ষীকিতে মায়ের স্মরনে লিখা ।