

খোন্দকার জিল্লুর রহমান :
সারা বিশ্ব এবং জনগণনন্দিত বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড.ইউনুসকে আইনি জটিলতার ঊর্ধ্বে এসে গণভোটের মাধ্যমে জনগণের ম্যান্ডেড গ্রহণ করে প্রকৃত ক্ষমতা হাতে নিয়ে কাজ করার জন্য দেশের সুশীল সমাজ থেকে সচেতন নাগরিক সকলে আহ্বান জানিয়েছেন। আইন সকলের নিকট সমান, আইন জটিলতার কাছে আপনাকে যাতে হেরে যেতে না হয় সেজন্য আপনাকে আহ্বান জানানো হয়েছে যে আপনি আগামী ডিসেম্বর ২০২৫ এর ভিতর গণভোট করে দেশের সাংবিধানিকভাবে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হন। দেশের আপামর জনতা আপনার সাফল্যের দিকে একাগ্র দৃষ্টিতে অধির অপেক্ষায় আছে। আইনি জটিলতা যাতে আপনাকে স্পর্শ করতে না পারে এবং আপনিও সবার উপরে গিয়ে আইনি জটিলতার ঊর্ধ্বে থেকে কাজ করুন যেমন করেছিল জিয়াউর রহমান। বাংলাদেশের ১১৯ বছরের পুরুনো রাজনৈতিক দল, যে দল এদেশের রাজনীতির সূচনা করে এবং রাজনৈতিক দলের জন্মদাতা হিসেবে ১৫ নভেম্বর ২০২৫ শনিবার বাংলাদেশ মুসলিম লীগের ৯ম কাউন্সিল অধিবেশনে চট্টলার সুযোগ্য কন্যা মুসলিম লীগের সভাপতি জুবায়েদা কাদের চৌধুরীসহ সারাদেশ থেকে আগত প্রায় তিন শতাধিক কাউন্সিলররাও প্রধান উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ ইউনুসের গত ১৩ নভেম্বরের প্রদত্ত বাসনের ভুয়শি প্রসংশা করেন এবং রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় সর্বময় অধিকারী হয়ে ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে কোন রকম আইনি জটিলতা না থাকে, সেজন্য আর দেরি না করে ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে গনভোট দিয়ে সেপথ সুগম করে নেয়ার উদার্থ আহ্বান জানান। নির্বাচনের পর কোন দলীয় সরকার যাতে ক্ষমতায় এসে আপনার ক্ষমতার আইনগত ক্রটি উপস্থাপন করতে না পারে, যেটা করেছিলেন রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠীত হয়ে জিয়াউর রহমান ৩০ মার্চ ১৯৭৭ সালে গণভোটের মাধ্যমে আইনগত পদ্ধতিতে ক্ষমতায় এসে নিজেকে রাষ্ট্রপতি ক্ষমতায়ন করে সকল ক্ষমতার উৎস হিসেবে এবং সকল উপদেষ্টাকে মন্ত্রী পরিষদকে শাসন করার ক্ষমতা হাতে নিয়ে কাজ করেছিল। হোসেন মোহাম্মদ এরশাদ ১৯৮৭ সালে জুলাইতে এসে গনভোট দিয়ে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার আরোহন করে আইনি জটিলতার উর্ধ্বে থেকে কাজ করে গেছেন। মানে বাংলাদেশে প্রেসিডেন্টের হাতে ক্ষমতা সীমিত করে যেটা আপনার উপর বুমেরাং হয়ে আপনার উপর আইনি জটিলতার সৃষ্টি করতে না পারে, সে ব্যাপারে আপনাকে সজাগ থেকে কাজ করার জন্য বিশেষভাবে আহ্বান জানানো হয়েছে। যেভাবে আগে দুইজন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং হোসেন মোহাম্মদ এরশাদ গণভোট দিয়ে নিজেদেরকে সকল প্রকার আইনি জটিলতার ঊর্ধ্বে থেকে কাজ করেছিলেন। আপনিও আগামী ৩০ ডিসেম্বরের ভিতর গণ ভোট দিয়ে অতি তাড়াতাড়ি আপনি নিজের হাতকে শক্ত করে নিন যাতে বা যেকোন উপায়ে বর্তমানে অসহায় হয়ে চুপ থাকা রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পু কখনো কোন কারনে সুযোগের সদ্ব্যবহার না করতে পারে এবং আপনিও যাতে যেকোন ভাবে অন্যান্যদের আইনি জটিলতার ঊর্ধ্বে থেকে রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য সর্ব রকম ব্যবস্থা গ্রহণ করার আইনি ক্ষমতার অবস্থানে থাকতে পারেন, তার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ/ আহবান করা গেল।













