“শেষ পর্যন্ত সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের জীবনাবসান”


খোন্দকার জিল্লুর রহমান :
অবশেষে বাংলাদেশের সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত শুক্রবার প্রায় রাত একটার দিকে ঢাকায় ইউনাইটেড হাসপাতালে মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহে….রাজিউন)।এর পুর্বেও তিনি মুত্যুর গুজব থেকে ফিরে আসেন। ক্ষমতা হারানোর পর নিজ সন্তানদের দ্বারা প্রতারিত হওয়া, প্রশাসনিক ব্যাবস্থার মাধ্যমে নিজের বাসায় স্থান করে নেওয়া, নিগ্রৃহীত জীবন কাটানোসহ দীর্ঘদিন তিনি নানা ধরনের জটিল রোগে ভুগে রাজধানির ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরন করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৮।
২০০৮ সালে নির্বাচনে জয়লাভের পর শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে মি. মুহিত অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। এরপর তিনি টানা ১০ বছর অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। দেশের ইতিহাসে সাইপুর রহমানের পরেই মি. মুহিতই সবচেয়ে বেশি সময় যাবত অর্থমন্ত্রী ছিলেন।
শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় গুলশান আজাদ মসজিদে তাঁর প্রথম জানাজা, সকাল সাড়ে ১১টায় সংসদ প্লাজায় দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
দুপুর ১২টায় তাঁর মরদেহে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য শহিদ মিনারে নেয়া হবে সর্বশেষ দাফনের জন্য মরদেহ সিলেটে নেয়া হবে বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানা যায়।

।এর পুর্বেও তিনি মুত্যুর গুজব থেকে ফিরে আসেন। ক্ষমতা হারানোর পর নিজ সন্তানদের দ্বারা প্রতারিত হওয়া, প্রশাসনিক ব্যাবস্থার মাধ্যমে নিজের বাসায় স্থান করে নেওয়া, নিগ্রৃহীত জীবন কাটানোসহ দীর্ঘদিন তিনি নানা ধরনের জটিল রোগে ভুগে রাজধানির ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরন করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৮।
২০০৮ সালে নির্বাচনে জয়লাভের পর শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে মি. মুহিত অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। এরপর তিনি টানা ১০ বছর অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। দেশের ইতিহাসে সাইফুর রহমানের পরেই মি. মুহিতই সবচেয়ে বেশি সময় যাবত অর্থমন্ত্রী ছিলেন।
শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় গুলশান আজাদ মসজিদে তাঁর প্রথম জানাজা, সকাল সাড়ে ১১টায় সংসদ প্লাজায় দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
দুপুর ১২টায় তাঁর মরদেহে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য শহিদ মিনারে নেয়া হবে সর্বশেষ দাফনের জন্য মরদেহ সিলেটে নেয়া হবে বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানা যায়।