প্রধামন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীসহ কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা
খোন্দকার জিল্লুর রহমান
দীর্ঘ দিন ধরে লুটপাট, অর্থপাচার, আর্থীক অনিরাপত্তা ও দরপতনের কারনে ভঙ্গুর প্রায় দেশের শেয়ারবাজার বর্তমানে সর্বশেষ তলানিতে এসে পৌচেছে, স্লো পয়জনিং ভাবে নিশ্ব হতে হতে বিনিয়োগকারীদের অবস্থা এখন লাইফ সাফোর্ট দেওয়া আই সি ইউতে জীবন মৃত্যুর সন্দিক্ষনে থাকা রুগির মতই,আসায় আসায় বুক বেধে অপেক্ষারত বিনিয়োগ কারীদের ফিরে দেখার কেউ নাই। ২০১০ সালের ৬ ডিসেম্ভর হঠাৎ করেই তুঙ্গেউঠা পুঁজিবাজার একদিনেই ৬০০ পয়েন্ট সূচক কমার মধ্যদিয়ে পতনের যে ধারাবাহীকতার শুরু হয়েছে তা আজ পর্যন্ত ঘুরে দাঁড়ানের কোন অবস্থানে আসতে পারে নাই। ঊন্নয়নের ডামাঢোল বাজানো বর্তমান সরকারের তৃতিয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার টানা প্রায় ১২ বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পরও আজ পর্যন্ত শেয়ারবাজার অভিবাবকহীন ভাবে বিনিয়োগকারীদের পথে বসিয়ে রেখেছে, অদুরদর্ষীতা, অযোগ্য পদাধীকার, জবাবদিহীতার অভাব, অর্থপাচার, লুটপাটের বিচার না হওয়া, বাজার মনিটরিং এর ব্যাবস্থা না থাকা, এবং কোম্পানীর পরিচালকদের নিতিহীন সেচ্ছাচারিতার কারনেই ধারাবাহীকভাবে শেয়ারবাজারের আজকের এই পরিনতি তা অস্বিকার করার কোন উপায় নাই। ১৯৯৬ সালের সরকারে আমলে প্রথম শেয়ার বাজার লুট শুরু হয়, সেই লুটপাটের সঠিক বিচার না হওয়ার কারনে লুটপাট কারিরা ক্রমান্ময়ে আরো বেপরোয়া হয়ে উঠে। অনেকের মতে ক্ষমতায় আঁকড়ে থাকার নেশায় ভুঁধহওয়া সরকারের ভিতর গাফটি মেরে থাকা লুটপাট ও অর্থপাচার কারিরা রেজুড়বিত্তির মাধ্যমে আরেকটি অদৃশ্য সরকার তৈরি মধ্যদিয়ে এহেন অপকর্ম করে প্রশাসন এবং দেশের বিচার ব্যাবস্থাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে স্বিয় রামরাজ্য প্রতিষ্টার মাধ্যমে বিনিয়োগ কারিদের নিশ্ব করে পথে বসিয়ে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করে চলেছে। শেয়ার বাজার নিয়ে সরকার ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দেয় প্রনোদনা ও নির্দেশনাকে কোরকম পাত্তা নাদিয়ে নিজেদের স্বকীয়তা রক্ষাকরে চলেছেন। যে কারনে সরকারের বিভিন্ন সময়ে দেওয়া বিভিন্ন প্রনোদনা ও নির্দেশনা থেকে শুরুকরে বিভিন্ন সময়ের আত্মত্যাগ, সংগ্রাম, অবরোধ, মানববন্ধন আজ পর্যন্ত বিনিয়োগ কারীদের কোন কাজে আসেনাই। বি এস ই সি সাবেক কর্মকর্তা ড. খায়রুল হোসেন স্বীয় আসনে অধিষ্টিত হওয়ার পুর্বমুহুর্তে বলেছিলেন তিনমাসে বাজার ঠিক করে ফেলবেন নাহয় পদত্যাগ করাসহ বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দেন, কিন্তুু তিনমাস তো দুরের কথা প্রায় দশ বছরে বড়বড় বুলি ছাড়া আর কিছুই করতে পারেন নাই বিনিয়োগ কারীদের পথে বসানো ছাড়া এবং বহাল তবিয়তেই ছিলেন রেময়াদ পুর্ণ করা পর্যন্ত। বর্তমানে বিএসইসির কর্মকর্তা হিসাবে ড. খায়রুল হোসেনের আসনে অধিষ্টিত হওয়া শিবলি রুবায়েত সাহেবও বিনিয়োগ কারিদের পক্ষে কতটুকু কাজে আসবেন চিন্তার বিষয়।
দরপতন, লুটপাট, অর্থপাচার, আর্থীক অনিরাপত্তা, জবাবদিহীতার অভাব,বর্তমানে নিত্য নৈমত্তিক ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে। অর্থপাচার, লুটপাটের বিচার না হওয়া, বাজার মনিটরিং এর ব্যাবস্থা না থাকা, এবং কোম্পানীর পরিচালকদের নিতিহীন সেচ্ছাচারিতার কারনেই ধারাবাহীকভাবে শেয়ারবাজারের আজকের এই পরিনতির সাথে নতুনভাবে যুক্ত হয়েছে ভার্সুয়াল পদ্দতির এজিএম প্রতাড়না যা পথে বসা বিনিয়োগ কারীদের কঠিনভাবে উদ্দিগ্ন করে তুলেছে। দিক বিদিক হারানো বিনিয়োগ কারীরা কোন উপায়আন্ত নাপেয়ে উপদেশ ও এর প্রতিকার হিসাবে শেয়ার বাজার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও প্রতিষ্টান চেয়ারম্যান বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডি.এস.ই.), চেয়ারম্যান চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সি.এস.ই.),তে দরখাস্তের মাধ্যমে নিজেদের প্রতিক্রিয়া তুলে ধরেন। নিম্নে দরখাস্ত সম্ভলিত বিষয়গুলি হুবহু তুলে ধরা হল…!!!
চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ই-৬/সি আগারগাঁও, শেরে-বাংলা নগর, ঢাকা। ব্যবস্থাপনা পরিচালক
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডি.এস.ই.) ৯/এফ, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা। চেয়ারম্যান চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সি.এস.ই.) ইউনুস টাওয়ার, দিলকুশা বা/এ, ঢাকা।
বিষয় ঃ ডিজিটাল পদ্ধতিতে বার্ষিক সাধারণ সভার নামে শেয়ার হোল্ডারদের সাথে বিভিন্ন কোম্পানীর প্রতারণা প্রসঙ্গে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে পূর্বের ন্যায় সাধারণ সভা করার আবেদন।
জনাব,
আমরা নি¤œ স্বাক্ষরকারীগণ পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত কোম্পানীসমূহের শেয়ার হোল্ডার। আমরা অতীব দুঃখের সাথে লক্ষ্য করেছি যে,পরের ধনে পোদ্দারী করা পুঁজিবাজারের তালিকাভূক্ত বিভিন্ন কোম্পানীর শীর্ষ স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ এবং কর্মকর্তাদের দূর্নীতি ও কারসাজিতে ১৯৯৬ইং এবং ২০১০ইং সালে পুজিবাজারে বড় ধরনের ধ্বস নামে ফলে আমাদের মত সাধারণ বিনীয়োগকারীগন ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। ক্ষতির মুখে নিঃস্ব হয়ে কিংকর্তব্যবিমুড় বিনিয়োগকারীদের কেহ কেহ আত্মহত্যার পথ বেছে নেয় যাহা সম্পর্কে প্রিন্টিং এবং ইলেক্ট্রনিকস মিডিয়ার মাধ্যমে দেশবাসী তথা বিশ্ববাসী অবগত আছেন। দূর্নীতি বাজদের ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তের জাল ছিন্ন করে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষার্থে বাংলাদেশ পুজিবার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের নেতৃত্ব বিনিয়োগকারীগন তাদের বিভিন্ন দাবী আদায়ে এখন ও আন্দোলন করে আসছে। কিন্তু ষড়যন্ত্রকারীদের ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত থেমে নাই, তাদের ষড়যন্ত্রের শেষধাপ ভার্সুয়াল পদ্ধতিতে বার্ষিক সাধারন সভা নামে এজিএম নাটক মঞ্চস্থ করা।
ডিজিটাল বা ভার্সুয়াল পদ্ধতির দোহাই দিয়ে অনেক কোম্পানী শেয়ার হোল্ডাদের নিকট বার্ষিক প্রতিবেদন পাঠান না যা ১৯৯৪ইং সালের কোম্পানীর আইনের ৮৫নং ও ১৯১ নং ধারার সুষ্পষ্ট লংঘন। যার ফলে নিরীক্ষিত হিসাবের উপর কোন কিছু বলার সুযোগ থাকে না। এই ভাবে অধিকাংশ শেয়ার হোল্ডারদের অন্ধকারে রেখে দূর্নীতিবাজরা তাদের দূর্নীতি ঢাকাতে তড়িঘড়ি করে এজেন্ডাসমূহ অনুমোদন করে থাকেন যার সাথে সিংহভাগ শেয়ার হোল্ডারদের কোন সর্ম্পক নাই। ষড়যন্ত্রকারীগণ ভারর্চ্যুয়াল পদ্ধতিতে ডিজিটাল যন্ত্রের মাধ্যমে শেয়ার হোল্ডারদের বোকা বানানোর অপচেষ্টা করে থাকে।
লক্ষ্য করা গেছে এ পদ্ধতিতে সভায় হাজিরা দেওয়া কোন সদস্য বা শেয়ার হোল্ডাদের মন্তব্য ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের প্রতিকূলে গেলে তা গ্রহন করা হয় না, এমন ও দেখা গেছে কোন শেয়ার হোল্ডার কোন মন্তব্য পাঠালে তা গ্রহন না করে উক্ত শেয়ার হোল্ডারদেরকে কোন এজেন্ডা অনুমোদনের প্রস্তাবক বা সমর্থক হিসাবে দেখানো হয়। এটা শেয়ার হোল্ডারদের সাথে এক ধরনের প্রতারনা। সার্বিক বিবেচনায় বিষয়টি এমন যে র্ভাচুয়াল বা ডিজিটাল পদ্ধতির সুইচ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের হাতে থাকে তাহারা স্বাধীনভাবে ইচ্ছামাফিক সুইচটি অন কিংবা অফ করে সভার কার্যক্রম পুরাপুরি তাদের নিয়ন্ত্রনে নিয়ে নেয়।
করোনা ভাইরাসের দোহাই দিয়ে কোম্পানী সমূহ বার্ষিক সাধারন সভা করার জন্য ভার্সুয়াল পদ্ধতির দিকে ঝুকে পড়ছেন অথচ করোনা ভাইরাসের মধ্যেই স্বাস্থ্য বিধি মেনে অফিস চলছে, গনপরিবহন চলছে, এমন কি শুধুমাত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদান ছাড়া অন্যান্য স্বাভাবিক কার্যক্রম চলছে তাহলে স্বাস্থ্য বিধি মেনে জাতীয় সংসদ অধিবেশন চলছে, স্বাভাবিক নিয়মে বার্ষিক সাধারন সভা করতে বাঁধা কোথায় তা আমাদের বোধগম্য নয়। শেয়ার হোল্ডারদের জোর দাবি পূর্বের নিয়মে স্বাস্থ্য বিধি মেনে তিন ফুট দূরত্ব বজায় রেখে সাধারন সভা অনুষ্ঠিত করা হোক। অতএব, মহোদয়ের সমীপে বিনীত নিবেদন এই যে, জবাবদিহিমূলক বার্ষিক সাধারণ সভা করার লক্ষ্যে ডিজিটাল বা র্ভাচুয়াল পদ্ধতি পরিহার করেস্বাভাবিক নিয়মে বার্ষিক সাধারণ সভা করার সবিনয় অনুরোধ করছি।
সংযুক্তি ঃ বিনীত নিবেদক
১। বিনিয়োগকারীদের তালিকা সংযুক্ত। আপনার বিশ্বস্ত
বাংলাদেশ পুঁজিবাজার কল্যান পরিষদ পক্ষে
১। মোঃ সাজ্জাদ হোসেন (খোকন)
২। মোঃ জামিল আহমেদ
৩। মোঃ মনিরুল ইসলা(রিপন)
৪। সামছুল হক বেপারী
৫। মহিউদ্দিন শামীম
বরাবর,
চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ই-৬/সি আগার গাঁও, শেরে বাংলা নগর, ঢাকা। ব্যবস্থাপনা পরিচালক ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডি.এস.ই.) ৯/এফ, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা। চেয়ারম্যান চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সি.এস.ই.) ইউনুস টাওয়ার, দিলকুশা বা/এ, ঢাকা।
বিষয় ঃ ভার্সুয়াল এজিএম ২০২০ এর অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা ও প্রতারনা প্রসঙ্গে। স্বাভাবিক নিয়মে স্বাস্থ্য বিধি মেনেপূর্বের ন্যায় সাধারণ সভা করার জন্য আবেদন।
জনাব,
যথাবিহীত সম্মান পূর্বক আপনার সদয় অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে, পুঁজিবজারের মহাধ্বসে পড়ে বহু বিনিয়োগকারী আত্মহত্যার করেছে ও অনেকে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রান বিস্বর্জন দিয়েছে। পুঁজিবাজার পতন ও বিনিয়োগকারীদের ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার অন্যতম একটি কারন কোম্পানীগুলো অনিয়ম, দূর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা, অস্বচ্ছ আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ নিয়মিত লভাংশ না দেওয়া, কর্পোরেট গর্ভনেন্স সঠিকভাবে পরিপালন না করা, বার্ষিক সাধারণ সভায় বিনিয়োগকারীদেরকে কথা বলার সুযোগ না দেওয়া ইত্যাদি। বর্তমানে দেশে করোনা মহামারি চলছে, আর এই সুযোগে ইঝঊঈ এর সম্মতিক্রমে ভার্সুয়াল এজিএম এর সুযোগ নিয়ে কোম্পানীগুলোর দূর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা ও অনিয়ম আরোও বেড়ে চলছে । সম্প্রতি দেখা গেছে, যেসব কোম্পানী ঠরৎঃঁধষ অএগ করছে সেগুলোর ভিডিও আপনি নিজে দেখলে তার প্রমান পাবেন। কোন প্রকার অএগ এর নোটিশ না পাঠানো কিংবা অএগ খরহশ এর সংযোগ না পাঠানো,অএগ এ কথা বলতে না দেওয়া, অএগ এর বিপরীতে কোন প্রকার কমেন্ট করলে তার উত্তর না দেওয়া, নিজস্ব লোকদের দিয়ে অএগ পাশ করিয়ে নেওয়া, ২০ থেকে ২৫ মিনিট অএগ পাশ করানো ইত্যাদি চিত্র ঘটেছে উদাহারন স্বরূপ আই.পি.ডি.সি. , প্রাইম ইন্স্যুরেন্স, ইঅঞইউ, ওউখঈ, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, উত্তরা ব্যাংক, আর.এ.কে সিরামিক্সস, ডেল্টা ব্র্যাক হাউজিং, গ্রীন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স, হেডেলবার্গ সিমেন্ট, ইত্যাদি কোম্পানীগুলো অএগ সম্পর্কে বিনিয়োগকারীদের বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। উপরোক্ত বিষয়ের আলোকে আমরা দাবি করিছ। ভার্সুয়াল এজিএম বন্ধ রাখতে হবে। নিদিষ্ট শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে স্বশরীরের বিনিয়োগকারীদের এজিএম এ অংশ গ্রহনের সুযোগ দিতে হবে।
তাতে কোম্পানীগুলোর অনিয়ম, দূর্নীতি ও আর্থিক বিবরণীর ব্যপারে শেয়ার হোল্ডারগন কথা বলার সুযোগ পাবে এবং কোম্পানীগুলোকে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার জন্য পরামর্শ দিতে পারবে, এর ফলে পুঁজি বাজারে আস্তা ফিরে আসবে, কোম্পনীগুলোর অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা ও দূর্নীতি বন্ধ হবে। অতএব, মহোদয়ের সমীপে আকুল আবেদন এই যে, ঠরৎঃঁধষ পদ্ধতিতে অএগ পরিহার করে স্বাভাবিক নিয়মে স্বাস্থ্য বিধি মেনে পূর্বের ন্যায় জবাবদিহিতা মূলক সাধারন সভা করার সম্মতি জ্ঞাপন করে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কৃতজ্ঞতা ভাজনে আজ্ঞা হয়।
ধন্যবাদান্তে
বিনিয়োগকারীদের পক্ষে এ.কে. এম. মিজান-উর- রশীদ চৌধুরী (সভাপতি), কাজী আব্দুর রাজ্জাক, সাধারণ সম্পাদক।
বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদ সংযুক্তি ঃ ১। বিনিয়োগকারীদের তালিকা সংযুক্ত।
লেখক : বিনিয়োগকারী ও বাজার বিশ্লেষক।










