খোন্দকার জিল্লুর রহমান :

কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির পাঁচ বারের নির্বাচিত সভাপতি, ভাষা সৈনিক এডভোকেট মোঃ ইসমাইল সাহেব ৯৩ বছরে ১৬ জানুয়ারি ২০২২ বিয়ে করেছেন। এডভোকেট ইসমাঈল এখন টক অব দ্যা কান্ট্রি। তবে ৯৩ বছরের চাচা তার অর্ধবয়সীরও কম মহিলাকে বিয়ে করে কোন অপরাধ করেননি। শেষ জীবনের একজন সঙ্গী বেছে নিয়েছেন।
তাও চাচার পাঁচ ছেলে এক মেয়ে এবং নাতি নাতনীরা মিলে ঘটকের মাধ্যমে ঘটা করেই উনাকে বিয়ে করিয়েছেন। প্রায় অর্ধশত বরযাত্রী সহ গিয়ে উনার স্ত্রীকে বরণ করে নিয়ে এসেছেন। এডভোকেট ইসমাইল সাহেবের স্ত্রী দীর্ঘদিন অসুস্থ থেকে কয়েক বছর আগে মারা যান। এজন্য শেষসময়ে তার একাকীত্ব দূর করতেই সন্তানদের উদ্যোগেই এই বিয়ে করানো হয়।
হ্যাঁ, সন্তানদের এই পদক্ষেপটা অতুলনীয়, নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। নতুন স্ত্রীও বলেছেন তিনি খেদমত করার মানসিকতা নিয়েই বিয়েতে সানন্দে রাজী হয়েছেন।
চিন্তা করেন আপনি কোন বিবেকে এই বিয়ে নিয়ে হাসাহাসি করবেন ? ইয়ার্র্কী ফাজলামো না করে মানুষের জীবনবোধ সম্পর্কে আপনার জ্ঞানের মাপকাঠি কতটা তা মেপে নিন। তা একবার ভাবুন
হ্যাঁ, স্বামী স্ত্রী সম্পর্কটা ঐশ্বরিক। কিন্তু স্ত্রী আগে মৃত্যুবরণ করলে সেই স্বামী নামক ভদ্রলোকটি হয়ে যান দুনিয়ার সবচেয়ে একা মানুষ। একটু চোখ বন্ধ করে ভবিষ্যত বাস্তবতাটা ভাবুন এবং একবার নিজেকে মিলিয়ে নিন সেই সঙ্গীন পরিস্থিতির সাথে। তখন বুঝবেন জীবনটা কেমন?
পরিশেষে আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের নিকট চাচা চাচীর দীর্ঘায়ু কামনা করি।
তাও চাচার পাঁচ ছেলে এক মেয়ে এবং নাতি নাতনীরা মিলে ঘটকের মাধ্যমে ঘটা করেই উনাকে বিয়ে করিয়েছেন। প্রায় অর্ধশত বরযাত্রী সহ গিয়ে উনার স্ত্রীকে বরণ করে নিয়ে এসেছেন। এডভোকেট ইসমাইল সাহেবের স্ত্রী দীর্ঘদিন অসুস্থ থেকে কয়েক বছর আগে মারা যান। এজন্য শেষসময়ে তার একাকীত্ব দূর করতেই সন্তানদের উদ্যোগেই এই বিয়ে করানো হয়।
হ্যাঁ, সন্তানদের এই পদক্ষেপটা অতুলনীয়, নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। নতুন স্ত্রীও বলেছেন তিনি খেদমত করার মানসিকতা নিয়েই বিয়েতে সানন্দে রাজী হয়েছেন।
চিন্তা করেন আপনি কোন বিবেকে এই বিয়ে নিয়ে হাসাহাসি করবেন ? ইয়ার্র্কী ফাজলামো না করে মানুষের জীবনবোধ সম্পর্কে আপনার জ্ঞানের মাপকাঠি কতটা তা মেপে নিন। তা একবার ভাবুন
হ্যাঁ, স্বামী স্ত্রী সম্পর্কটা ঐশ্বরিক। কিন্তু স্ত্রী আগে মৃত্যুবরণ করলে সেই স্বামী নামক ভদ্রলোকটি হয়ে যান দুনিয়ার সবচেয়ে একা মানুষ। একটু চোখ বন্ধ করে ভবিষ্যত বাস্তবতাটা ভাবুন এবং একবার নিজেকে মিলিয়ে নিন সেই সঙ্গীন পরিস্থিতির সাথে। তখন বুঝবেন জীবনটা কেমন?
পরিশেষে আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের নিকট চাচা চাচীর দীর্ঘায়ু কামনা করি।
তাঁর উজ্জল ভবিষ্যৎ ও সুখী দাম্পত্য জীবন কামনা করছি –
“বিয়ে বিষয়ক গল্প”
এক লোক ভবগানের খুব প্রিয় ছিলেন।ভগবান সব বিপদে সেই লোকের পাশে থাকতেন।
যেমন বাসে উঠতে গেলে ভগবান আওয়াজ দিয়ে বলতেন, এই বাসে উঠিছনা মারা পরবি, তিনি ছাড়া আর কেউ সে আওয়াজ শুনতেননা।
পরে দেখা যেতো ঠিকই বাস এক্সিডেন্ট করেছে অনেকে মারা পারেছে, অনেকে আহত।
রাতের অন্ধকারে তিনি রাস্তায় হাটছেন,হ্ঠাৎ কেউ বল্লেন, সামনে গর্ত সাবধান।অবাক হয়ে দেখেন আসলেই সামনে বিরাট গর্ত ছিলো !
অসুখ হলে আওয়াজ পান, ওমক জিনিশ খাও রোগ সেরে যাবে, খেয়ে দেখেন সত্যিই রোগ সারে!
একদিন সে লোক জিজ্ঞেস করলেন, আপনি কে? আপনি কেন সব বিপদে আমাকে বাঁচান?
গায়েব থেকে ভগবান বললেন, আমি ধর্মাবতার, তোকে খুব পছন্দকরি, তাই সব বিপদে তোর পাশে থাকি।
লোকটি ভগবানকে জিজ্ঞেস করলো, আপনি সব বিপদে আমাকে সতর্ক করেন, আমার বিয়ের আগে আপনে কই ছিলেন? সতর্ক করলেননা কেন ??
ভগবান বললেন, আরে বেটা তখনও আমি তোরে সাবধান করছিলাম, ঢোলের আওয়াজে শুনছনাই —











