খোন্দকার জিল্লুর রহমান :

পৃথিবীটা একটা সৌন্দর্যের লিলাভুমি এর ভিবিন্ন ভু-খন্ডের সৌন্দর্য ভিবিন্ন রকম, তাই কোনটার সাথে কোনটার তুলনা হয়না। ভ্রমন করা ছাড়া ভিবিন্ন ভুখন্ডের আবহাওয়া, জলবায়ু, শিক্ষা সাংস্কৃতি উন্নয়ন, এবং মানুষ সম্বন্দে জানা যায় না। ভ্রমন করে এসকল অভিজ্ঞতার বর্ণনা সকলকে জানাতে পারাটাও একটা গৌরবের কাজ। ভ্রমন করে কেবল ভ্রমন কাহিনী লেখা যায়, ভ্রমন না করে লেখা যায় না। ভ্রমন না করে যেমন ভ্রমন কাহিনী লেখা যায় না, ভ্রমন করেও সবাই ভ্রমন কাহিনী লিখতে পারেন না। আবার ভ্রমন কাহিনি লিখতে হলে সাহিত্যিক হতে হয়না, সাংস্কৃতিক ও শৈল্পিক মন আর সৌন্দর্যের বর্ণনা ফুটিয়ে তোলার হাত দিয়ে লিখনির মাধ্যমে বেরিয়ে আসে ভ্রমন কাহিনী। কারণ ভ্রমন থেকেই ভ্রমন কাহিনী। এ্যাডভোকেট এম এ মজিদ, একজন ভ্রমন পিপাসু শৈল্পিক এবং সাদা মনের মানুষ দিনাজ পুরের সন্তান, আইন পেশার একজন মানূষ হয়ে ভ্রমন কাহিনী এত সুন্দর ভাবে লিখতে পারেন তা জানা ছিলনা। সিডনির সৌন্দর্যের উপর তার লেখা “সিডনি, সৌন্দর্য পিপাসুদের ভ্রমন কেন্দ্র” বইটি সিডনি ভ্রমনে আগ্রহি প্রত্যেকটা লোককে প্রবল ভাবে উৎসাহিত করবে। বর্তমানে বই পড়া ও শিক্ষার সেকাল একাল নিয়েস শুধী সমাজের আলাপ আলোচনায় দেখা যায় জ্ঞান অর্জনের জন্য এখন মানুষ বই পড়তে আগ্রহী হন না, ফেসবুক, ইন্টর্নেট, ভিবিন্ন মিডিয়া ও আকাশ সাংস্কৃতি সমাজের লোকেদের বই পড়াড় আগ্রহকে নষ্ট করে দিয়েছে। আমাদের সময়ে আমরা বাবা-মায়ের বকনি সত্ত্বেও স্কুলের টিপিন না খেয়ে পয়সা সংগ্রহকরে কখনো কখনো বাজারের পয়সা চুরি করেও বই কেনা এবং লাইব্রেরী থেকে সংগ্রহ করে এমনকি অনেক সময় চুরি করে ও গল্প,কবিতা, শিল্প-সাহিত্য, আ্যডভেঞ্চার এর বই পড়েছি, আর বই উপহার পেলেতো আনন্দের সীমা থাকতনা। বর্তমান সমাজের মানুষকে (সকলকে নয়) ফ্রি উপহার দিয়েও বই পড়ানো কষ্টকর হয়ে উঠেছে। এক কথায় বলা যায় “আগে পাঠক বইএর পেছনে দৌড়াতেন বর্তমানে বই পাঠকের পেছনে দৌড়ান”।
এ্যাডভোকেট এম এ মজিদের “সিডনি, সৌন্দর্য পিপাসুদের ভ্রমন কেন্দ্র” বইটি পড়াড় মাধ্যমে প্রত্যেকটা ভ্রমন পিপাসু সাহিত্য প্রেমি প্রত্যেকটি ব্যক্তির মনে হবে স্বনামধন্য লেখক না হয়েও তিনি এক জন সিদ্ধহস্ত লেখক এবং বইটির মাধ্যমে ভিবিন্ন দেশ ভ্রমনের অনুপ্রেরণা, অভিজ্ঞতা সঞ্চয়, চিত্ত বিনোদন, ভাষা সাহিত্য, শিক্ষা সাংস্কৃতি, সভ্যতা, জীবন-জিবিকা, আইন কানুন ও দেশ বিদেশের সৌন্দর্য বর্ণনা সহ জ্ঞান অর্জনের একটি স্যাটালাইট ঊৎক্ষেপন করেছেন।
আমি আশা করি “সিডনি, সৌন্দর্য পিপাসুদের ভ্রমন কেন্দ্র” শিরোনামের লিখা বইটির মাধ্যমে লেখক দেশ-বিদেশে শত শত কোটি লোকের হৃদয়ে স্থান করে নিতে পারবেন।
লেখক : সম্পাদক ও প্রকাশক
অর্থণীতির ৩০ দিন











