
অর্থনীতির ৩০ দিন সংবাদ :
অনুমোদন পাওয়া জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স গত বছর পর্যন্ত প্রায় এক হাজার গ্রাহকের ৫ কোটি ২৬ লাখ টাকার বীমা দাবি পরিশোধ করেছে। সুত্র থেকে জানা যায়, বর্তমানে তাদের কোন বীমা দাবি পেন্ডিং নেই। প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দেয়ার ৭ দিনের মধ্যেই এসব বীমা দাবি নিষ্পত্তি করা হয়েছে।
কোম্পানিটির মুখ্য নির্বাহী এস এম নুরুজ্জামানের ভাষ্যমতে, জেনিথ ইসলামী লাইফ দেশের একমাত্র কোম্পানি যারা বীমা দাবির কাগজপত্র অনলাইন মাধ্যমে পাঠালেই দাবি পরিশোধ করে থাকেন।গ্রাহকদের মূল কাগজপত্র পাঠানো ছাড়াই প্রয়োজনীয় কাগজপত্রেই দাবি উত্থাপনের মাত্র ৭ কার্য দিবসেই দাবি নিষ্পত্তি করেন কোম্পানীটি এবং চেষ্টা করেন আরো কম সময়েও দাবি পরিশোধের জন্য স্বচেষ্ট থাকতে ।
মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম নুরুজ্জামান বলেন, সকল বীমা দাবির টাকা গ্রাহকের ব্যাংক একাউন্টে অথবা মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে যথাসময়ে গ্রাহকের পাওনা দাবি প্রদান করা হয়। এক্ষেত্রে বীমা দাবির চেক গ্রহণের জন্য কোন গ্রাহকে হয়রানি হতে হয় না এমনকি কোম্পানির প্রধান কার্যালয় বা শাখা অফিসেও ধর্ণা দিতে হয় না, এবং চেক নগদায়নের জন্য গ্রাহককে ব্যাংকে যাওয়ারও প্রয়োজন হয় না। যথাসময়েই গ্রাহকরা তাদের বীমার টাকা হাতে পেয়ে যান।
জেনিথ ইসলামী লাইফের তথ্য মতে, ২০২২ সালে কোম্পানিটিতে উত্থাপিত মোট বীমা দাবির সংখ্যা ৯৯৬টি। এসব বীমা দাবির অর্থের পরিমাণ ৫ কোটি ২৬ লাখ ১৩ হাজার ৩৮২ টাকা। এর মধ্যে ৪৬টি মৃত্যুদাবি বাবদ ৯৬ লাখ ৯৯ হাজার ১৭৮ টাকা; ৮৯টি স্বাস্থ্য বীমা দাবি বাবদ ২৬ লাখ ২২ হাজার ৬৬৪ টাকা; ১০টি মেয়াদ উত্তীর্ণ দাবি বাবদ ২৪ লাখ ৮৮ হাজার টাকা; ৮২১টি এসবি বাবদ ৩ কোটি ৭২ লাখ ৩৩ হাজার ৬৩ টাকা।
এর আগে ২০২১ সালে জেনিথ ইসলামী লাইফে সর্বমোট ৭৪১টি বীমা দাবি উত্থাপন হয়। এসব দাবি বাবদ ৩ কোটি ৭ লাখ ৩৩ হাজার ৩৯০ টাকা পরিশোধ করে কোম্পানিটি। এসব বীমা দাবির মধ্যে গ্রুপ ও একক বীমার ৩৪টি মৃত্যু দাবি ২৭টি স্বাস্থ্য বীমা দাবি, ৫টি মেয়াদ উত্তীর্ণ দাবি, ৬৩৩টি এসবি এবং ৪২টি সমর্পণ মূল্য ছিল।
বিনিয়োগ বেড়েছে ৪৫ শতাংশ
চতুর্থ প্রজন্মের বীমা প্রতিষ্ঠান জেনিথ ইসলামী লাইফে গেলো বছর বিনিয়োগ বেড়েছে ৪৫ শতাংশ। ২০২২ সালে কোম্পানিটির মোট বিনিয়োগ দাঁড়িয়েছে ২৮ কোটি ২২ লাখ ৫৭ হাজার ৩৯৪ টাকা। যা আগের বছর ২০২১ সালে ছিল ১৯ কোটি ৫১ লাখ ৮৫ হাজার ৩৫৯ টাকা। অর্থাৎ ২০২১ সালের তুলনায় ২০২২ সালে জেনিথ ইসলামী লাইফের বিনিয়োগ বেড়েছে ৮ কোটি ৭০ লাখ ৭২ হাজার ৩৫ টাকা।
বর্তমানে কোম্পানিটির মোট সম্পদের পরিমাণ ৩৬ কোটি টাকার বেশি।












